আহলে হাদিসের নাম শুনলেই চুলকানী

রাসূল (ﷺ) এর মৃত্যর পর ইসলামের প্রথম ৩০০ বছর ছিলো সালাফদের যুগ। আর সালাফদের যুগের সালাফরা হলেন রাসূল (ﷺ) একনম্বর সালাফ, এরপর সাহাবীগণ, তারপর তাবেঈগণ এবং তাবে-তাবেঈগণ হলেন সালাফ। আর এ ৩০০ বছর সালাফগণ রাসূল (ﷺ) এর অনুসরণে ধারাবাহিক ইসলামী শরিয়ত অনুসরণ করেছেন। এর পর আরো ১০০ বছর পর্যন্ত মানে ৪২৮ হিজরি পর্যন্ত ইসলাম বিভক্তকারী প্রচলিত চার মাযহাব নামক দল-ফীরকার কোনো অস্তিত্ব রাসূল (ﷺ) এর ইসলামে ছিলো না। ৪২৮ হিজরির পূর্বের কোনো কিতাবে কোন মুসলিম নিজেকে হানাফী, মালেকী, শাফীঈ, হাম্বলি দাবী করেছে এমন প্রমাণও রাসূল (ﷺ) এর ইসলামে নাই। আর এমন দালিলিক প্রমাণও কোনো স্কলার কস্মিনকালেও বিশুদ্ধ দলিলেও দেখাতে পারবে না ইন শা আল্লাহ।   উদাহরণ স্বরূপ গৌতম বৌদ্ধের জন্মের পর সিদ্ধিলাভ করে বৌদ্ধধর্মমত প্রচারের আগে পৃথিবীতে যেমন কোনো বৌদ্ধ ছিলনা। তেমনি মাযহাব নামক ইসলাম বিভক্তকারী দল ফীরকা সৃষ্টির আগে ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে প্রচলিত চার মাযহাবের নামে দল-ফীরকার অনুসারী কোনো মুসলিমও পৃথিবীতে ছিলো না। ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে পৃথিবীর সকল মুসলিমগণ ছিলেন সালাফ আর সালাফী। আর সকল সালাফ ও সালাফীগণই আহলুল হাদীস বা আহলে হাদীস অনুসারী হিসাবে পরিচিত। তাই ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে সকল সালাফ-সালাফীরা মাযহাব মানে রাসূল (ﷺ) এর মত বুঝতেন। আর তাঁরা রাসূল (ﷺ) এর মত মেনেই দ্বীনইসলামের শরিয়ত পালন করতেন। এরপর সালাফদের যুগের পর থেকে মানে ইসলামের প্রথম ৩০০ বছরের পর থেকে আজোব্দী পৃথিবীর সকল সালাফী আহলে হাদীসরা রাসূল (ﷺ) এর মাযহাব বা মত সালাফদের বুঝে অনুসরণ করে জমীনে একমাত্র হক্বপন্থী দল হিসাবে ইসলামী শরিয়ত পালন করছেন। আর কিয়ামত পর্যন্ত রাসূল (ﷺ) এর ঘোষিত হক্বপন্থী দল হিসাবে আহলে হাদীস সালাফীরাই হক্বপন্থী দল হিসাবে বিজয়ী থাকবে ইন শা আল্লাহ।   উল্লেখ্য প্রচলিত চার মাযহাব নামক ইসলাম বিভক্তকারী দল-ফীরকা যে চারজন মহাসম্মানিত মুজতাহিদদের নামে তাদের মৃত্যুর শত শত বছর পর ৪২৮ হিজরিতে নবসৃষ্ট দল-মত হিসাবে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ চার মাযহাব নামক দল-ফীরকার সাথে ঐ চারজন মুজতাহিদের কোনো সম্পর্ক নাই। তারা জীবিতাবস্থায় স্বপ্নেও কল্পনা করেননি, তাদের মৃত্যুর পর তাদের নামে একদল মতলববাজ লোকরা মাযহাব নামক দল-ফীরকা সৃষ্টি করে ইসলাম বিভক্ত করে শয়তানের ইত্তেবার পথ উম্মুক্ত করবে! তাই সম্মানিত মুজতাহিদগণের ইজতিহাদী মত যা সহীহ হাদীসের অনুকূলে রাসূল (ﷺ) এর মতের অনূকুলে তা সকল মুসলিমদের জন্যই মান্য করার নাম ইসলাম হলেও, তাদের নামে বানানো মনগড়া মতের প্রচলিত মাযহাব নামক দল-ফীরকার নামে প্রচলিত মত কস্মিনকালেও রাসূল (ﷺ) এর ইসলামের মত নয়। রাসূল (ﷺ) এর ইসলাম বহির্ভূত সকল মতপথ বাতিল আর শয়তানের মতপথ। আর সকল বাতিল-ভ্রান্ত মত-পথ বর্জন করে কোরআন-সহীহ হাদীসের আলোকে সালাফদের অনুসরণে ইসলামী শরিয়ত পালন করতে হবে। আর পৃথিবীর জমীনে একমাত্র আহলে হাদীস সালাফীরাই রাসূল (ﷺ) এর ইসলাম অনুসরণ করে হক্বপন্থী দল হিসাবে সকল বাতিল দল-মতের রোষের স্বীকারে পরিনত হলেও আখেরে ফীরকাতুন নাজিয়া হিসাবে আহলে হাদীস সালাফীরাই একমাত্র হক্বপন্থী দল হিসাবে কামীয়াব হবেন ইন শা আল্লাহ।  তাই আমি মোটাদাগে বলছি, পৃথিবীতে ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে প্রচলিত চার মাযহাবের অনুসারী কোনো  মাযহাবী দল-ফীরকা যেমন ছিলো না, তেমনি ৪২৮ হিজরির পর নবসৃষ্ট প্রচলিত এ চার মাযহাব নামক ইসলাম বিভক্তকারী দল-ফীরকাগুলো স্পষ্ট বিদ'আত। _________________________________________ অধ্যাপক ওবায়দুল বারী বিন সিরাজউদ্দিন।

রাসূল (ﷺ) এর মৃত্যর পর ইসলামের প্রথম ৩০০ বছর ছিলো সালাফদের যুগ। আর সালাফদের যুগের সালাফরা হলেন রাসূল (ﷺ) একনম্বর সালাফ, এরপর সাহাবীগণ, তারপর তাবেঈগণ এবং তাবে-তাবেঈগণ হলেন সালাফ। আর এ ৩০০ বছর সালাফগণ রাসূল (ﷺ) এর অনুসরণে ধারাবাহিক ইসলামী শরিয়ত অনুসরণ করেছেন। 

এর পর আরো ১০০ বছর পর্যন্ত মানে ৪২৮ হিজরি পর্যন্ত ইসলাম বিভক্তকারী প্রচলিত চার মাযহাব নামক দল-ফীরকার কোনো অস্তিত্ব রাসূল (ﷺ) এর ইসলামে ছিলো না। ৪২৮ হিজরির পূর্বের কোনো কিতাবে কোন মুসলিম নিজেকে হানাফী, মালেকী, শাফীঈ, হাম্বলি দাবী করেছে এমন প্রমাণও রাসূল (ﷺ) এর ইসলামে নাই। আর এমন দালিলিক প্রমাণও কোনো স্কলার কস্মিনকালেও বিশুদ্ধ দলিলেও দেখাতে পারবে না ইন শা আল্লাহ। 

উদাহরণ স্বরূপ গৌতম বৌদ্ধের জন্মের পর সিদ্ধিলাভ করে বৌদ্ধধর্মমত প্রচারের আগে পৃথিবীতে যেমন কোনো বৌদ্ধ ছিলনা। তেমনি মাযহাব নামক ইসলাম বিভক্তকারী দল ফীরকা সৃষ্টির আগে ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে প্রচলিত চার মাযহাবের নামে দল-ফীরকার অনুসারী কোনো মুসলিমও পৃথিবীতে ছিলো না। 

ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে পৃথিবীর সকল মুসলিমগণ ছিলেন সালাফ আর সালাফী। আর সকল সালাফ ও সালাফীগণই আহলুল হাদীস বা আহলে হাদীস অনুসারী হিসাবে পরিচিত। তাই ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে সকল সালাফ-সালাফীরা মাযহাব মানে রাসূল (ﷺ) এর মত বুঝতেন। আর তাঁরা রাসূল (ﷺ) এর মত মেনেই দ্বীনইসলামের শরিয়ত পালন করতেন। 

এরপর সালাফদের যুগের পর থেকে মানে ইসলামের প্রথম ৩০০ বছরের পর থেকে আজোব্দী পৃথিবীর সকল সালাফী আহলে হাদীসরা রাসূল (ﷺ) এর মাযহাব বা মত সালাফদের বুঝে অনুসরণ করে জমীনে একমাত্র হক্বপন্থী দল হিসাবে ইসলামী শরিয়ত পালন করছেন। আর কিয়ামত পর্যন্ত রাসূল (ﷺ) এর ঘোষিত হক্বপন্থী দল হিসাবে আহলে হাদীস সালাফীরাই হক্বপন্থী দল হিসাবে বিজয়ী থাকবে ইন শা আল্লাহ। 

উল্লেখ্য প্রচলিত চার মাযহাব নামক ইসলাম বিভক্তকারী দল-ফীরকা যে চারজন মহাসম্মানিত মুজতাহিদদের নামে তাদের মৃত্যুর শত শত বছর পর ৪২৮ হিজরিতে নবসৃষ্ট দল-মত হিসাবে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ চার মাযহাব নামক দল-ফীরকার সাথে ঐ চারজন মুজতাহিদের কোনো সম্পর্ক নাই। তারা জীবিতাবস্থায় স্বপ্নেও কল্পনা করেননি, তাদের মৃত্যুর পর তাদের নামে একদল মতলববাজ লোকরা মাযহাব নামক দল-ফীরকা সৃষ্টি করে ইসলাম বিভক্ত করে শয়তানের ইত্তেবার পথ উম্মুক্ত করবে! তাই সম্মানিত মুজতাহিদগণের ইজতিহাদী মত যা সহীহ হাদীসের অনুকূলে রাসূল (ﷺ) এর মতের অনূকুলে তা সকল মুসলিমদের জন্যই মান্য করার নাম ইসলাম হলেও, তাদের নামে বানানো মনগড়া মতের প্রচলিত মাযহাব নামক দল-ফীরকার নামে প্রচলিত মত কস্মিনকালেও রাসূল (ﷺ) এর ইসলামের মত নয়।

 রাসূল (ﷺ) এর ইসলাম বহির্ভূত সকল মতপথ বাতিল আর শয়তানের মতপথ। আর সকল বাতিল-ভ্রান্ত মত-পথ বর্জন করে কোরআন-সহীহ হাদীসের আলোকে সালাফদের অনুসরণে ইসলামী শরিয়ত পালন করতে হবে। আর পৃথিবীর জমীনে একমাত্র আহলে হাদীস সালাফীরাই রাসূল (ﷺ) এর ইসলাম অনুসরণ করে হক্বপন্থী দল হিসাবে সকল বাতিল দল-মতের রোষের স্বীকারে পরিনত হলেও আখেরে ফীরকাতুন নাজিয়া হিসাবে আহলে হাদীস সালাফীরাই একমাত্র হক্বপন্থী দল হিসাবে কামীয়াব হবেন ইন শা আল্লাহ।

তাই আমি মোটাদাগে বলছি, পৃথিবীতে ইসলামের প্রথম ৪৪০ বছরে প্রচলিত চার মাযহাবের অনুসারী কোনো  মাযহাবী দল-ফীরকা যেমন ছিলো না, তেমনি ৪২৮ হিজরির পর নবসৃষ্ট প্রচলিত এ চার মাযহাব নামক ইসলাম বিভক্তকারী দল-ফীরকাগুলো স্পষ্ট বিদ'আত।

Getting Info...

Post a Comment

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.